উম্মতে মুহাম্মদী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত ও উপহার

সৈয়দ মোহাম্মদ শরফুদ্দীন সম্রাট (মাঃজিঃআঃ)

ভূমিকা: বিশ্বের ইতিহাসে এমন দিন খুবই কম আছে, যা মানবজাতির ভাগ্যকে পাল্টে দিয়েছে। ১২ই রবিউল আউয়াল সেই দিন, যে দিন দুনিয়া পায় সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল, হাবীবুল্লাহ, রহমাতুল্লিল আলামীন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমন। তাঁর জন্মের মাধ্যমে ধ্বংসপ্রায় মানবতা বাঁচলো, নিঃশেষপ্রায় আলোর প্রদীপ পুনরায় জ্বলে উঠলো, আর আঁধারাচ্ছন্ন বিশ্ব আলোকিত হলো।

• নবীর আগমনের পূর্বাবস্থা:

ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) তাঁর ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের পূর্বে আরব ভূমি ছিল জাহেলিয়াতের আঁধারে নিমজ্জিত। চারদিকে অশ্লীলতা, কন্যাশিশু হত্যা, দাসপ্রথা, রক্তপাত, লুণ্ঠন আর মূর্তিপূজার রাজত্ব চলছিল। এমন এক অমানবিক সমাজে মানুষের অন্তর চিৎকার করে উঠেছিল—”কেউ কি আসবে, যে আমাদের এই অন্ধকার থেকে মুক্তি দেবে?”

সেই মুহূর্তেই আল্লাহ তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বান্দাকে পাঠালেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:

> لَقَدْ مَنَّ اللَّهُ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِّنْ أَنفُسِهِمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের উপর বিরাট অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তাদের মধ্য থেকে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন।”
(সুরা আলে ইমরান: ১৬৪)

 

• নবীজীর আগমন—রহমতের জ্যোতি:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম মানবতার জন্য ছিল আল্লাহর সবচেয়ে বড় রহমত। আল্লাহ তাআলা বলেন:

> وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
“আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।”
(সুরা আম্বিয়া: ১০৭)

 

এই আয়াত প্রমাণ করে যে, নবীজীর আগমন কেবল আরবের জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মুক্তি ও কল্যাণের বার্তা।

হাদিস শরীফে খুব সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে,

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما أَنَّ قُرَيْشًا كَانَتْ نُورًا بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ تَعَالَى قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ بِأَلْفِي عَامٍ يُسَبِّحُ ذَلِكَ النُّورُ وَتُسَبِّحُ الْمَلَائِكَةُ بِتَسْبِيحِهِ، فَلَمَّا خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ اللهِ الْقَى ذَلِكَ النُّورَ فِي صُلْبِهِ. قَالَ رَسُولُ اللهِ : فَأَهْبَطَنِيَ اللَّهُ إِلَى الْأَرْضِ فِي صُلْبِ آدَمَ ال. وَجَعَلَنِي فِي صُلْبِ نُوحٍ اللَ، وَقُذِفَ بِي فِي صُلْبِ إِبْرَاهِيمَ اللي ثُمَّ لَمْ يَزَلِ اللَّهُ يَنقُلُنِي مِنَ الْأَصْلَابِ الْكَرِيمَةِ إِلَى الْأَرْحَامِ الطَّاهِرَةِ حَتَّى أَخْرَجَنِي مِنْ بَيْنِ أَبَوَيَّ لَمْ يَلْتَقِيَا عَلَى سِفَاحٍ قَطُّ.

رَوَاهُ أَبُو سَعْدٍ وَالسَّيُوطِي.

অর্থাৎ: হযরত ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত:
কুরাইশ ছিল আল্লাহ্ তা‘আলার সামনে এক নূর (আলো), সমস্ত সৃষ্টি জগত সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে। সে নূর আল্লাহ্‌র তাসবীহ পাঠ করত, আর ফেরেশতারাও তার সাথে তাসবীহ পাঠ করত। যখন আল্লাহ্‌ তা‘আলা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি সেই নূরকে তাঁর পিঠে (সুলবে) স্থাপন করলেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:“এরপর আল্লাহ্‌ আমাকে আদমের পিঠে পৃথিবীতে নামালেন। আমাকে নূহ (আঃ)-এর পিঠে রাখলেন, ইবরাহীম (আঃ)-এর পিঠে স্থান দিলেন। এরপর আল্লাহ্‌ সর্বদা আমাকে সম্মানিত বংশধরদের সুলব থেকে পবিত্র গর্ভে স্থানান্তরিত করেছেন। এমনকি আমাকে আমার মা-বাবার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, অথচ তারা কোনোদিনও অবৈধ সম্পর্কে মিলিত হননি।” [1]

( রেওয়ায়াত করেছেন আবু সাঈদ ও সুয়ুতী।)

এই রেওয়ায়াতের মূল বক্তব্য হলো: নবী করীম ﷺ এর নূর বা সত্ত্বা আল্লাহ্‌ তা‘আলা পৃথিবীর সৃষ্টির বহু পূর্বে নির্ধারণ করেছিলেন, এবং ধারাবাহিকভাবে পবিত্র বংশধারায় স্থানান্তরিত করে শেষ পর্যন্ত মা আমিনা ও বাবা আব্দুল্লাহর মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন।

ইমাম বুসিরী (রহ.) তাঁর বিখ্যাত কাসিদা বুরদা শরীফে নবীজীর জন্মকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন—
“সূর্য যখন উদিত হয়, তখন রাতের আঁধার দূর হয়ে যায়। ঠিক তেমনি প্রিয় নবী যখন আগমন করলেন, তখন অজ্ঞতার আঁধার মুছে গেলো।”

• ঈদে মিলাদুন্নবী আনন্দের উৎসব:

১২ই রবিউল আউয়াল হলো উম্মতের জন্য কৃতজ্ঞতার দিন। ইমাম জালালুদ্দিন সিউতি (রহ.) বলেন-“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিনে আনন্দ প্রকাশ করা, তাঁর শানগান করা এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা, এ সবকিছুই প্রশংসনীয় কাজ।”

তাহলে বোঝা যায়, ঈদে মিলাদুন্নবী কোনো শোক নয়; বরং এটি আনন্দ, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার দিন।

• নবীজীর জন্ম কেন সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার?

১. আকীদাহ ও তাওহীদ – তিনি মানুষকে এক আল্লাহর উপাসনার শিক্ষা দিলেন।

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ : أَوْحَى اللَّهُ إِلَى عِيسَى
، يَا عِيسَى، آمِنُ بِمُحَمَّدٍ وَأْمُرُ مَنْ أَدْرَكَهُ مِنْ أُمَّتِكَ أَنْ يُؤْمِنُوا بِهِ فَلَوْلَا مُحَمَّدٌ مَا خَلَقْتُ آدَمَ وَلَوْلَا مُحَمَّدٌ مَا خَلَقْتُ الْجَنَّةَ وَلَا النَّارَ. وَلَقَدْ خَلَقْتُ الْعَرْشَ عَلَى الْمَاءِ فَاضْطَرَبَ فَكَتَبْتُ عَلَيْهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ فَسَكَنَ . رَوَاهُ الْحَاكِمُ.

وَقَالَ الْحَاكِمُ: هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَوَافَقَهُ الذَّهَبِيُّ.

অর্থাৎ: হযরত ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত:
আল্লাহ্ তা‘আলা হযরত ঈসা (আঃ)-কে ওহী পাঠালেন:
“হে ঈসা! তুমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি ঈমান আনো এবং তোমার উম্মতের যাঁরা তাঁর যুগে পৌঁছাবে তাদেরকে আদেশ করো যেন তাঁর উপর ঈমান আনে। যদি মুহাম্মদ না হতেন তবে আমি আদমকে সৃষ্টি করতাম না। যদি মুহাম্মদ না হতেন তবে আমি জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করতাম না। আমি আরশকে পানির উপর সৃষ্টি করেছিলাম, তখন তা কেঁপে উঠল। তখন আমি তার উপর লিখে দিলাম: لا إله إلا الله محمد رسول الله (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল)। তখনই আরশ স্থির হয়ে গেল।” [2]

(রেওয়ায়াত করেছেন আল-হাকিম)

আল-হাকিম বলেছেন: এ হাদীসের সনদ সহীহ। এবং ইমাম যাহাবীও এ কথার সাথে একমত হয়েছেন।

২. নৈতিকতার পূর্ণতা – নবীজী ঘোষণা করেছেন: “আমি উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা সাধনের জন্য প্রেরিত হয়েছি।” (হাদিস: বায়হাকি)
৩. মানবাধিকারের সুরক্ষা – তিনি নারীর মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করলেন, দাসদের মুক্তির পথ দেখালেন, এতিমদের হেফাজতের নির্দেশ দিলেন।
৪. ভ্রাতৃত্ব ও শান্তি – মদিনা সনদের মাধ্যমে বহুজাতি সমাজে সহাবস্থানের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
৫. আখিরাতের সুসংবাদ – তিনি বলেছেন: “মানুষ কিয়ামতের দিন যার সাথে ভালোবাসা করবে, সে তার সাথেই থাকবে।” (বুখারি শরীফ)

যেমনটি হাদিস শরীফে আলোচিত হয়েছে-

عَنْ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ : أَيُّهَا النَّاسُ مَنْ أَنَا ؟ قَالُوا: أَنْتَ رَسُولُ الله لم قَالَ : أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ. قَالَ: فَمَا سَمِعْنَاهُ قَطُّ يَنْتَمِي قَبْلَهَا ، أَلا إِنَّ اللَّهَ وَ خَلَقَ خَلْقَهُ، فَجَعَلَنِي مِنْ خَيْرٍ خَلْقِهِ، ثُمَّ فَرَّقَهُمْ فِرْقَتَيْنِ فَجَعَلَنِي مِنْ خَيْرِ الْفِرْقَتَيْنِ، ثُمَّ جَعَلَهُمْ قَبَائِلَ فَجَعَلَنِي مِنْ خَيْرِهِمْ قَبِيلَةً، ثُمَّ جَعَلَهُمْ بُيُوتًا فَجَعَلَنِي مِنْ خَيْرِهِمْ بَيْتًا، وَأَنَا خَيْرُكُمْ بَيْتًا وَخَيْرُكُمْ نَفْسًا .

رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالطَّبَرَانِيُّ وَالْحَاكِمُ وَأَبُو نُعَيْمٍ وَابْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَرِجَالُهُ رِجَالُ الصحيح

অর্থাৎ: হযরত আব্দুল মুততালিব ইবনে রাবীআ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুততালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ ﷺ একবার লোকদের উদ্দেশে বললেন: “হে মানুষ! তোমরা জানো আমি কে?” তারা বলল: “আপনি আল্লাহর রাসূল।”

তিনি বললেন: “আমি হচ্ছি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুততালিব। আমি এর আগে কখনো আমার বংশের পরিচয় প্রকাশ করিনি। জেনে রাখো, আল্লাহ্‌ তাঁর সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাকে তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ অংশ থেকে করেছেন। তারপর তাদের দুই দলে বিভক্ত করলেন, আর আমাকে শ্রেষ্ঠ দলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তারপর তিনি তাদের গোত্রে বিভক্ত করলেন, আর আমাকে শ্রেষ্ঠ গোত্রে করেছেন। এরপর তিনি তাদের পরিবারে ভাগ করলেন, আর আমাকে শ্রেষ্ঠ পরিবারে করেছেন। আর আমি তোমাদের মধ্যে বংশের দিক থেকে সর্বোত্তম এবং ব্যক্তি হিসেবে সর্বোত্তম।” [3]

(রেওয়ায়াত করেছেন আহমদ, ত্বাবারানী, হাকিম, আবু নু‘আইম ও ইবনে আবি শাইবা। এর রাবীগণ সহীহ হাদীসের রাবীগণ।)

এ হাদীস থেকে বোঝা যায়:

• নবী করীম ﷺ সর্বোত্তম বংশধারা থেকে এসেছেন।

• তাঁর গোত্র, পরিবার এবং ব্যক্তিত্ব সবকিছুর দিক থেকে শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।

• নবীর পরিচয় কেবল রাসূলুল্লাহ হওয়া নয়, বরং তাঁর বংশধারাও আল্লাহ বিশেষভাবে নির্বাচন করেছেন।

মিলাদুন্নবীর শিক্ষা:

ঈদে মিলাদুন্নবী আমাদের শেখায়-

➤ নবীজীর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরতে হবে।

➤ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে।

➤ তাঁর প্রতি ভালোবাসা, দরুদ ও সালাম অবিরত পাঠ করতে হবে।

➤ আল্লাহর নেয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করতে হবে।

আলেমদের দৃষ্টিতে নবীজীর জন্ম:

শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) লিখেছেন: “নবীর জন্ম মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারণ করেছে; তাঁর আগমন ছিল আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ।”

উপসংহার: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলো উম্মতের জন্য আল্লাহর সবচেয়ে বড় দান ও উপহার। এ দিনে আমরা শুধু আনন্দ করি না, বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি যে, তিনি আমাদের মাঝে এমন মহান নবী প্রেরণ করেছেন। তাঁর জন্মের আলোয় মানবতা বেঁচে আছে, ইসলাম ছড়িয়ে পড়েছে, আর আমরা পেয়েছি মুক্তির পথ।

অতএব, ঈদে মিলাদুন্নবী পালন মানে হলো নবীজীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ, তাঁর আদর্শ জীবনে ধারণ করা এবং আল্লাহর নেয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। এ দিনটি চিরকাল আমাদের জন্য আনন্দের উৎস, রহমতের ঝরনা এবং কল্যাণের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।

#সূত্র:
[1] ইমাম নীশাপুরী, শারফুল মুস্তফা, ১ম খণ্ড, হাদীস নং–৭৮,ইমাম সুয়ূতী, আদ্-দুররুল মানসুর, ৪র্থ খণ্ড,ইমাম সুয়ূতী, আল-খাসায়িসুল কুবরা, ১ম খণ্ড।
[2] ইমাম হাকিম (রহ.), আল-মুস্তাদরাক আলাস-সাহিহাইন, ২য় খণ্ড, হাদীস নং–৪২২৭, ইমাম যাহাবী (রহ.), মিজানুল ই’তিদাল, হাদীস নং–৬৩৩৬।

[3] এই হাদীসটি ইমাম আহমদ, ইমাম তাবরানী, ইমাম আবু নু‘আইম, ইবনে আবি শাইবা রেওয়ায়াত করেছেন এবং এই হাদীসটির প্রত্যেক রাবী সহীহ এবং বিশুদ্ধতার দরওয়াজায় পৌঁছেছে।

রেফারেন্স:

ইমাম আহমদ, মুসনদে আহমদ ইবনে হাম্বল, ৪র্থ খণ্ড

ইমাম তাবরানী, আল-মু‘জামুল কবীর, হাদীস নং-৬৭৫।

ইমাম হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৩য় খণ্ড, হাদীস নং-৫০৭৭।

ইমাম আবু নু‘আইম, দালায়িলুন নুবুওয়াহ, ১ম খণ্ড।

 

 

.

 

.